শীতের আগমনী বার্তায় পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
আব্দুল খালেক সালমান
কক্সবাজার:
শীতের আগমনী বার্তায় দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের আনাগোনা ও আনন্দ-উৎসবের আমেজ দেখা যাচ্ছে। সমুদ্রের নীল জলরাশি, ঢেউয়ের ছন্দ আর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটাতে সৈকতে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী পর্যটক।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য কক্সবাজার, পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ সমুদ্রসৈকত
বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে কক্সবাজারের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশি, দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং সারি সারি ঝাউবন পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে কক্সবাজার শুধু ভ্রমণের স্থান নয়, বরং পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর অন্যতম গন্তব্য।
শীতের আগমুহূর্তে সৈকতের মনোরম পরিবেশে পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়ানো, সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করা এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলার দৃশ্য চোখে পড়ে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও পরিবারসহ আসা দর্শনার্থীদের পদচারণায় সৈকত হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্থানীয় মানুষের জীবিকা। পর্যটকদের আগমন বাড়লে এসব খাতেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়। তাই পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সৈকতের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, নিরাপদ গোসলের ব্যবস্থা, লাইফগার্ডের তৎপরতা এবং পর্যটকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে পরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা গেলে কক্সবাজার দেশের পর্যটনশিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সমুদ্রের বিশালতা আর ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে কক্সবাজার তাই বারবার টানে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষকে।

সৈকতের বালুচর ও অগভীর পানিতে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠছেন ভ্রমণপিপাসুরা। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভাসাচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ ব্যস্ত সময়ের ক্লান্তি ভুলে উপভোগ করছেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য।
পর্যটনসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শীত মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকতের পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও পর্যটকসেবার মান বজায় রাখা জরুরি।
বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার দেশের পর্যটনশিল্পের অন্যতম আকর্ষণ। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর সমুদ্রের উচ্ছ্বাসে এই সৈকত বরাবরই ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এবারের শীতের আগমনেতে যে পরিমাণ দর্শক আসছে ন তাতে আমরা অন্যান্য বছরে তুলনায় আশাবাদী এবার বেশি পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। আমরা আশা করব তারা নিশ্চিন্তে ভ্রমন করতে পারবেন নিশ্চিন্তি আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন, হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন আমরা জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খ রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করব তারা যেন এবার বিশেষভাবে নজরদারি করেন।
