গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছেন উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ উল্লাহ সরকার। তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকার কারণে তাঁকে সভাপতি পদে দেখতে চান তাঁরা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও আরিফ উল্লাহ সরকার সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। করোনা মহামারির সময়ে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সহায়তা ও বিশুদ্ধ খাবার সরবরাহের মতো মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে তিনি মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলেও সমর্থকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
দলীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আরিফ উল্লাহ সরকার পূর্বে জেলা ছাত্রদলের সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং একটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অনুসারীদের ভাষ্য, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা আর্থিক ও অন্যান্য ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে সমর্থকেরা দাবি করেছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিমত, আরিফ উল্লাহ সরকার দায়িত্ব পেলে সংগঠন আরও গতিশীল ও ঐক্যবদ্ধ হবে। তবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের শীর্ষ এই পদে শেষ পর্যন্ত কে দায়িত্ব পাবেন, তা নির্ভর করছে দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক মূল্যায়নের ওপর।
