শীতের পূর্ব মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরের তীরে গড়ে ওঠা সমুদ্র সৈকতের প্রতিটি বীচে ও রিসোর্টে বিনোদনের মহা উৎসবে মেতে উঠেছে পর্যটকরা। বিদেশ থেকে আসা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের উৎসবের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট। সমুদ্রের ঢেউ আর পাহাড়ের চূড়ার বিশুদ্ধ বাতাস যেন নিঃশ্বাস ফেলার অন্যতম সেরা স্থান।
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য বিচ ও পয়েন্টগুলো হলো— লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী পয়েন্ট, দরিয়ানগর বিচ, হিমছড়ি বিচ (পাহাড় ও ঝরনাঘেরা সৈকত), ইনানী বিচ (পাথর ও প্রবালযুক্ত সৈকত), পাটুয়ারটেক বিচ, শামলাপুর বিচ, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত ও সাবরাং জিরো পয়েন্ট।
প্রতিটি বিচের তীরে গড়ে উঠেছে পর্যটকদের থাকার আন্তর্জাতিক মানের ফাইভ স্টার হোটেল। উন্নতমানের রেস্টুরেন্টে আছে রুপচাঁদা, স্যালমন, লইটকা ও গুড়া মাছের সুস্বাদু খাবার। মার্কেটগুলোতে কেনাকাটায় সামুদ্রিক শুটকী মাছ, শামুক, ঝিনুকের মালা পর্যটকদের মন কেড়েছে। মিডিয়াকর্মী, ফটো সাংবাদিক, টিকটক প্রেমী ও প্রিয়জনদের মধ্যে ছবি তোলার হিড়িক লেগেই থাকে অনবরত। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের ঢেউ ও সবুজে ঘেরা পাহাড়ের সৌন্দর্য এখন বিনোদনপ্রেমীদের মহাৎসবে পরিণত হয়েছে।
